নতুন হোন বা পুরনো – Hibajee 12-এ সবার জন্য আলাদা অফার আছে। প্রতিটি ডিপোজিটে, প্রতিটি মৌসুমে, প্রতিটি বড় ম্যাচে আমরা বোনাস নিয়ে আসি।
Hibajee 12-এর সব অফার এক জায়গায়। আপনার জন্য যেটা সবচেয়ে উপকারী সেটা বেছে নিন।
নতুন সদস্যদের জন্য
প্রথমবার একাউন্ট খুলে ডিপোজিট করলেই পাবেন ১৫০% বোনাস। মানে ১,০০০ টাকা দিলে আপনার একাউন্টে যাবে ২,৫০০ টাকা। শুরুটা ভালো হলে বাকিটাও ভালো যায়।
সর্বনিম্ন ডিপোজিট ৫০০ টাকা। টার্নওভার শর্ত প্রযোজ্য।
প্রতিটি ডিপোজিটে পুরস্কার
ওয়েলকাম বোনাস শেষ হলেই সব শেষ নয়। Hibajee 12-এ প্রতিটি ডিপোজিটেই ৩০% রিলোড বোনাস পাওয়া যায়। নিয়মিত খেললে প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্য বাড়তি ব্যালেন্স জমে।
ডিপোজিট করার পরপরই বোনাস একাউন্টে যোগ হয়, আলাদা আবেদন করতে হয় না।
হারলেও ফেরত পান
বেটিংয়ে কখনো কখনো হার আসে – এটা স্বাভাবিক। কিন্তু Hibajee 12-এ সপ্তাহ শেষে আপনার নেট লসের ১০% ক্যাশব্যাক হিসেবে ফেরত দেওয়া হয়। এই টাকা সরাসরি মূল ব্যালেন্সে যোগ হয়, আলাদা ওয়েজারিং ছাড়াই তুলতে পারবেন।
নিজের টাকা না লাগিয়ে বেট
বড় ম্যাচের আগে Hibajee 12 বিশেষ ফ্রি বেট অফার দেয়। ক্রিকেট বিশ্বকাপ, বিপিএল, আইপিএল বা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি বেটের সুযোগ পাওয়া যায়। জিতলে পুরো লাভ আপনার।
বন্ধুকে আনুন, টাকা পান
আপনার রেফারেল লিংক দিয়ে কোনো বন্ধু Hibajee 12-এ একাউন্ট খুলে প্রথম ডিপোজিট করলে আপনি পাবেন ৫০০ টাকা বোনাস। বন্ধুও পাবেন ওয়েলকাম বোনাস। দুজনেই লাভবান।
যত বেশি বন্ধু আনবেন, তত বেশি বোনাস পাবেন। মাসে একাধিক রেফারেল করা যায়।
বেশি খেলুন, বেশি পান
Hibajee 12-এর লয়্যালটি প্রোগ্রামে নিয়মিত বেটিংয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট জমা হয়। পয়েন্ট দিয়ে বোনাস ক্যাশ, ফ্রি বেট বা বিশেষ ইভেন্টের এক্সেস পাওয়া যায়। সিলভার থেকে ডায়মন্ড – চারটি টায়ারে আলাদা সুবিধা।
Hibajee 12-এ বোনাস নেওয়ার প্রক্রিয়া একদম সহজ। মাত্র কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই হয়।
Hibajee 12-এ নিবন্ধন করুন। পুরো প্রক্রিয়াটা মাত্র ২ মিনিটের। মোবাইল নম্বর বা ইমেইল দিয়ে সহজেই রেজিস্ট্রেশন করা যায়।
ফোন নম্বরে আসা OTP দিয়ে একাউন্ট ভেরিফাই করুন। এটা আপনার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য জরুরি।
ডিপোজিটের আগে "প্রোমোশন" সেকশনে গিয়ে আপনার পছন্দের বোনাস অফারটি সিলেক্ট করুন।
বিকাশ, নগদ বা রকেটে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ডিপোজিট করুন। পেমেন্ট কনফার্ম হওয়ার সাথে সাথে বোনাস যোগ হয়ে যাবে।
বোনাস একাউন্টে যোগ হলেই আপনি বেটিং শুরু করতে পারবেন। টার্নওভার পূরণ হলে উইনিং তুলে নিন।
Hibajee 12-এ বেশি বেটিং করলে টায়ার আপগ্রেড হয়, সাথে সুবিধাও বাড়ে।
টায়ার প্রতি মাসে রিসেট হয়। উপরের টায়ার ধরে রাখতে মাসের বেটিং লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে।
কোন বোনাসে কী সুবিধা – একনজরে দেখুন।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে যেটা সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তা হলো বোনাস ও প্রোমোশন নীতি। অনেক সাইট আছে যারা বড় বড় বোনাসের কথা বলে, কিন্তু শর্তগুলো এত জটিল রাখে যে সাধারণ ব্যবহারকারীরা সেটা আসলে কাজে লাগাতে পারেন না। Hibajee 12 এই জায়গায় ভিন্ন পথে হেঁটেছে।
এখানে প্রতিটি প্রোমোশনের শর্ত বাংলায় স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। টার্নওভার মানে কী, কোন বেটগুলো গণনায় আসবে, কতদিনের মধ্যে পূরণ করতে হবে – সব কিছু আগেই জানা যায়। এতে ব্যবহারকারীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কোন বোনাস তাদের জন্য আসলে লাভজনক।
ওয়েলকাম বোনাসের কথা যদি বলি – ১৫০% মানে প্রথম ডিপোজিটের দেড় গুণ বোনাস পাওয়া। ৫০০ টাকা দিলে ৭৫০ টাকা বোনাস, ১,০০০ দিলে ১,৫০০ বোনাস। এই বোনাসটা সরাসরি বেটিং ব্যালেন্সে যোগ হয়। সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়। টার্নওভার রিকোয়ারমেন্ট ৮x, যেটা ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে কম।
রিলোড বোনাসটা নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ সুবিধা। প্রতিদিন ডিপোজিট করলে প্রতিদিনই ৩০% বোনাস পাওয়া যায়। মাসে ধরুন ১০ বার ডিপোজিট করলে ১০ বারই বোনাস। এই বোনাসের টার্নওভার ৫x, তাই তুলনামূলকভাবে দ্রুত পূরণ করা যায়।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক অফারটা অনেকেই পছন্দ করেন কারণ এতে কোনো টার্নওভার নেই। সপ্তাহে য দি ১,০০০ টাকা নেট লস হয়, তাহলে সোমবার সকালে ১০০ টাকা সরাসরি মেইন ব্যালেন্সে চলে আসে। কোনো আবেদন করতে হয় না, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়।
রেফারেল প্রোগ্রামটা একটু আলাদাভাবে কাজ করে। আপনার প্রোফাইলে একটা ইউনিক রেফারেল কোড থাকে। সেই কোড দিয়ে কোনো নতুন ব্যবহারকারী রেজিস্ট্রেশন করলে এবং প্রথম ডিপোজিট দিলে আপনার একাউন্টে ৫০০ টাকা ক্রেডিট হয়। বন্ধু বা পরিচিতদের মধ্যে যারা বেটিং করতে আগ্রহী তাদের কাছে লিংক শেয়ার করলে প্রতি মাসে ভালো পরিমাণ বোনাস জমানো সম্ভব।
Hibajee 12-এর প্রোমোশন শুধু ডিপোজিট বোনাসেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষ ম্যাচের সময় – যেমন বাংলাদেশ বনাম ভারত ক্রিকেট সিরিজ, বিপিএল, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি – এ ধরনের বড় ইভেন্টে আলাদা আলাদা অফার থাকে। কখনো বুস্টেড অডস, কখনো ফ্রি বেট, কখনো আবার বিশেষ ক্যাশব্যাক। এই অফারগুলো সম্পর্কে আগে থেকে জানতে প্রোমোশন পেজ নিয়মিত চেক করার অভ্যাস করুন।
একটা কথা মনে রাখা দরকার – বোনাস নেওয়ার আগে সবসময় শর্তগুলো পড়ুন। কোন ধরনের বেটে বোনাস ব্যবহার করা যাবে, ন্যূনতম অডস কত হতে হবে, কতদিনের মধ্যে টার্নওভার পূরণ করতে হবে – এগুলো জানা থাকলে পরে কোনো বিভ্রান্তি হয় না।
বোনাস ও অফার নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে।